সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ রমজান সুনামগঞ্জ জেলা
পেজ সুচিপত্র
সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ রমজান সুনামগঞ্জ জেলা
সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ রমজান সুনামগঞ্জ জেলা সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আপনাদেরকে জানাবো পুরো রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি যেটি শুধু সুনামগঞ্জ জেলার জন্য প্রযোজ্য। নিম্নে সুনামগঞ্জ জেলার সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রদান করা হলো।
রহমতের ১০ দিন (প্রথম ১০ রোজা)
রমজান | তারিখ | বার | সেহরির শেষ সময় | ইফতারের সময় |
*০১ রমজান | ১৯ ফেব্রুয়ারি | বৃহস্পতিবার | ৫.০৮ মিনিট | ৫.৫৩ মিনিট |
০২ | ২০ ফেব্রুয়ারি | শুক্রবার | ৫.০৭ মিনিট | ৫.৫৪ মিনিট |
০৩ | ২১ ফেব্রুয়ারি | শনিবার | ৫.০৬ মিনিট | ৫.৫৪ মিনিট |
০৪ | ২২ ফেব্রুয়ারি | রবিবার | ৫.০৫ মিনিট | ৫.৫৫ মিনিট |
০৫ রমজান | ২৩ ফেব্রুয়ারি | সোমবার | ৫.০৫ মিনিট | ৫.৫৫ মিনিট |
০৬ | ২৪ ফেব্রুয়ারি | মঙ্গলবার | ৫.০৪ মিনিট | ৫.৫৬ মিনিট |
০৭ | ২৫ ফেব্রুয়ারি | বুধবার | ৫.০৩ মিনিট | ৫.৫৬ মিনিট |
০৮ | ২৬ ফেব্রুয়ারি | বৃহস্পতিবার | ৫.০২ মিনিট | ৫.৫৭ মিনিট |
০৯ | ২৭ ফেব্রুয়ারি | শুক্রবার | ৫.০১ মিনিট | ৫.৫৭ মিনিট |
১০ | ২৮ ফেব্রুয়ারি | শনিবার | ৫.০১ মিনিট | ৫.৫৮ মিনিট |
আরওপড়ুন ঃ সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ সালের রমজানের (রাজশাহী জেলা)।
মাগফিরাতের ১০ দিন (দ্বিতীয় ১০ রোজা)
রমজান | তারিখ | বার | সেহরির শেষ সময় | ইফতারের সময় |
১১ | ০১ | রবিবার | ৫.০০ মিনিট | ৫.৫৯ মিনিট |
১২ | ০২ | সোমবার | ৪.৫৯ মিনিট | ৫.৫৯ মিনিট |
১৩ | ০৩ | মঙ্গলবার | ৪.৫৮ মিনিট | ৫.০০ মিনিট |
১৪ | ০৪ মার্চ | বুধবার | ৪.৫৭ মিনিট | ৬.০০ মিনিট |
১৫ | ০৫ | বৃহস্পতিবার | ৪.৫৬ মিনিট | ৬.০১ মিনিট |
১৬ | ০৬ মার্চ | শুক্রবার | ৪.৫৫ মিনিট | ৬.০১ মিনিট |
১৭ | ০৭ | শনিবার | ৪.৫৪ মিনিট | ৬.০২ মিনিট |
১৮ | ০৮ | রবিবার | ৪.৫৩ মিনিট | ৬.০২ মিনিট |
১৯ | ০৯ মার্চ | সোমবার | ৪.৫২ মিনিট | ৬.০৩ মিনিট |
২০ | ১০ | মঙ্গলবার | ৪.৫১ মিনিট | ৬.০৩ মিনিট |
আরও পড়ুন ঃ জেনে নিন ২০২৬ সালের ঈদ মহরমসহ সকল ইসলামিক উৎসবের দিন তারিখ।
নাজাতের ১০ দিন (তৃতীয় ১০ রোজা)
রমজান | তারিখ | বার | সেহরির শেষ সময় | ইফতারের সময় |
২১ | ১১ | বুধবার | ৪.৫০ মিনিট | ৬.০৩ মিনিট |
২২ | ১২ | বৃহস্পতিবার | ৪.৪৯ মিনিট | ৬.০৪ মিনিট |
২৩ | ১৩ | শুক্রবার | ৪.৪৮ মিনিট | ৬.০৪ মিনিট |
২৪ | ১৪ | শনিবার | ৪.৪৭ মিনিট | ৬.০৫ মিনিট |
২৫ | ১৫ | রবিবার | ৪.৪৬ মিনিট | ৬.০৫ মিনিট |
২৬ | ১৬ মার্চ | সোমবার | ৪.৪৫ মিনিট | ৬.০৬ মিনিট |
২৭ | ১৭ | মঙ্গলবার | ৪.৪৪ মিনিট | ৬.০৬ মিনিট |
২৮ | ১৮ | বুধবার | ৪.৪৩ মিনিট | ৬.০৭ মিনিট |
২৯ | ১৯ মার্চ | বৃহস্পতিবার | ৪.৪২ মিনিট | ৬.০৭ মিনিট |
৩০ | ২০ | শুক্রবার | ৪.৪১ মিনিট | ৬.০৮ মিনিট |
রোজা রাখার নিয়ত
সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ রমজান সুনামগঞ্জ জেলা সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা জানিয়ে দিব রোজা রাখার নিয়ত সম্পর্কে। রোজার নিয়ত জরুরী। এই ক্ষেত্রে রোজা রাখার উদ্দেশ্যে ভোরে ঘুম থেকে উঠা ও সেহরি খাওয়াটাই রোজার নিয়তের অন্তর্ভুক্ত।মনের ইচ্ছেই হলো নিয়ত। নিয়ত মুখে উচ্চারণ করাটা জরুরী নয়। কেউ যদি মুখে নিয়ত উচ্চারণ নাও করেন তাও তার রোজা আদায় হবে।
রোজা রাখার নিয়ত ঃনাওয়াইতু আন আছুমা গাদাম, মিন শাহরি রামাদানাল মুবারাক; ফারদাল্লাকা ইয়া আল্লাহু, ফাতাকাববাল মিন্নি ইন্নিকা আনতাস সামিউল আলিম।
আরও পড়ুন ঃ কোরবানির পশু কেমন হওয়া উচিত জেনে নিন।
ইফতারের দোয়া
সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ রমজান সুনামগঞ্জ জেলা সম্পর্কিত আলোচনায় এখন আপনাদেরকে জানিয়ে দিব ইফতারের দোয়া সম্পর্কে। রোজা পালনে সেহেরি ও ইফতার গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সঠিক সময়ে ইফতার করা যেমন জরুরী তেমনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সেহরি খাওয়া উচিত।
ইফতারের দোয়া ঃআল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিজকিকা ওয়া আফতারতু বিহামদিকা ইয়া আরহামার রাহিমীন।
আরও পড়ুন ঃ কখন দাঁত ব্রাশ করা উপকারী সকালে খাওয়ার আগে না রাতে খাওয়ার পরে।
অন্যান্য জেলার সাথে সময়ের ব্যবধান
সেহেরি ও ইফতারের সময়সূচি ২০২৬ রমজান সুনামগঞ্জ জেলা সম্পর্কিত আলোচনার এ পর্যায়ে আমরা আপনাদেরকে জানিয়ে দিব সুনামগঞ্জ জেলার সাথে অন্যান্য জেলার ইফতারি ও সেহরীর সময়ের ব্যবধান কত সে সম্পর্কে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন থেকে জানা গেছে, এবার প্রত্যেকটি জেলার জন্য আলাদা আলাদা সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি প্রকাশ করেছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। সুতরাং দূরত্বের ভিত্তিতে সুনামগঞ্জ জেলার সময়ের সঙ্গে অন্যান্য জেলার সময়সূচিতে কোন সময় যোগ-বিয়োগ করার প্রয়োজন হচ্ছে না।
আরও পড়ুন ঃ শবে বরাতের গুরুত্ব ও ফজিলত এবং করণীয় ও বর্জনীয় সম্পর্কে জেনে নিন।
উপসংহার
প্রিয় পাঠক বৃন্দ, আজকের আর্টিকেলটি পড়ে আপনারা ২০২৬ সালের রমজান মাসের সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি সম্পর্কে জানতে পেরেছেন ও উপকৃত হয়েছেন বলে আমার বিশ্বাস। এরকম আরও আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন, আর আর্টিকেলটি শেয়ার করে দিন যেন অন্যান্যরাও এতথ্যগুলো জানতে পারেন।
মুসলমানদের জন্য রোজা হলো আল্লার পক্ষ থেকে বিশেষ নিয়ামত। আল্লাহর বিশেষ রহমতে আমরা রোজা রাখতে পারি। রোজা রাখলে ইসলামিক সকল বিধিবিধান পরিপূর্ণ হয় এবং শরীর ও মন ভালো থাকে, সকল পাপ কাজ থেকে নফসকে বিরত রাখে। পরিবার পরিজন নিয়ে নিজে রোজা রাখুন এবং অন্যকেও রোজা রাখার জন্য তাগিদ করুন।
তথ্য সংগৃহীত, সূত্র ঃ ইসলামিক ফাউন্ডেশন।

aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url