চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা জানার জন্য আপনারা প্রায়ই গুগলে সার্চ করে থাকেন। ট্রেন যোগে চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজশাহী যাওয়ার প্রয়োজন হলেই সার্চ করা শুরু করেন। আপনি যদি সত্যিই এবিষয়গুলো জানতে আগ্রহী হন তাহলে সঠিক জায়গাতেই প্রবেশ করেছেন।
আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের নাম, ট্রেনের সময়সূচী, কিভাবে টিকেট কাটতে হয়? ট্রেনের ভাড়া কত? কোন কোন স্টেশনে ট্রেনটি যাত্রা বিরতি দেয় এসব তথ্যগুলো সম্পর্কে। আপনারা এসব তথ্য সহজেই পাওয়ার জন্য আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন।পেজ সুচিপত্র
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের নাম
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা জানাটা জরুরী বিষয় কেননা আপনি যে ট্রেনে ভ্রমন করবেন সেই ট্রেনের নাম না জানলে টিকিট করবেন কিভাবে? আমি এক্ষনি আপনাদেরকে জানিয়ে দেবো সেই কাঙ্ক্ষিত ট্রেনের নাম। চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী রুটে সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া নিয়মিতভাবে ২টি ট্রেন চলাচল করে। এই রুটে যে দুইটি ট্রেন চলাচল করে তার নাম হলো -
- ১. কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ৭১৫।
- ২. সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ৭৬১।
আরও পড়ুন ঃ রাজশাহী টু নীলফামারী / সৈয়দপুর ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা।
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের সময়সূচী
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনে যাওয়ার জন্য ট্রেনের সময়সূচী বা সিডিউল জেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। কেননা আপনি যে ট্রেনে জার্নি করবেন তার সময়সূচী আপনার জেনে রাখতে প্রয়োজন। ট্রেনের এই সময়সূচী জানার জন্য আপনারা গুগলে সার্চ করেন অথবা সশরীরে স্টেশনে উপস্থিত হয়ে এই সময়সূচী বের করে থাকেন। কষ্ট করে যেন আপনাদেরকে এই সময়সূচী বের করতে না হয় সেজন্য নিম্নে খুব সুন্দর ভাবে সময়সূচী প্রদান করা হলো।
কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস | শুক্রবার | ||
সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস |
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের টিকেট কাটার নিয়ম জানার জন্য আমাদের এই লেখাগুলো গুরুত্ব সহকারে পড়ুন। ট্রেনে ভ্রমণ করার জন্য টিকিট কাটা অতীব জরুরী। টিকেট ছাড়া ট্রেনে জার্নি করাটা বোকামি। যেকোন সময় সমস্যায় পড়ে যেতে পারেন। তাই টিকেট সংগ্রহ করে ট্রেনে জার্নি করুন। ট্রেনের টিকেট দুইভাবে সংগ্রহ করতে পারেন। এক হলো সশরীরে স্টেশনে উপস্থিত হয়ে টিকেট কেটে নিতে পারেন। অন্যটি হলো অনলাইনে বাংলাদেশ রেল সেবা এ্যপস ব্যবহার করে টিকেট কেটে নিতে পারেন। অনলাইনে টিকেট কাটার জন্য আমাদের অনলাইনে টিকিট কাটার নিয়ম সম্পর্কিত আর্টিকেলটি পড়তে পারেন।
আরও পড়ুন ঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম।
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনের ভাড়া
চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনে যেতে চাইলে আপনাকে অবশ্যই ট্রেনের টিকেট কাটতে হবে। আপনারা সকলে জানেন যে ট্রেনের কামরা ও আসন বিন্যাসের উপর নির্ভর করে এর ভাড়া কম-বেশি হয়ে থাকে। চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজশাহী যাতায়াত করার জন্য প্রতিটি ট্রেনে বিভিন্ন ধরনের আসনের ব্যবস্থা রয়েছে, এই বিভিন্ন ধরনের আসনের ভাড়াও ভিন্ন ভিন্ন রকমের। চুয়াডাঙ্গা থেকে রাজশাহী চলাচলকারী কপোতাক্ষ এক্সপ্রেস ও সাগরদাঁড়ি এক্সপ্রেস ট্রেনে এসি কামরার ব্যবস্থাও রয়েছে। এই ট্রেন দুইটির প্রতিটি আসনের সর্বনিম্ন ভাড়া ২০০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ভাড়া ৪৫৫ টাকা নির্ধারিত রয়েছে। নিম্নে ভাড়ার তালিকা প্রদান করা হলো।
আসন বা সিটের নাম | |
শোভন চেয়ার প্রতিটি সিট | ২০০ টাকা |
আরও পড়ুন ঃ রাজশাহী টু ঝিনাইদহ বাসের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা।
কপোতাক্ষ ও সাগরদাঁড়ি ট্রেন যে সকল স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয়
আপনারা যারা চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেনে যাতায়াত করেন তাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ একটি আলোচনা হলো কপোতাক্ষ ও সাগরদানী ট্রেনটি যাত্রা কালে কোন কোন স্টেশনে যাত্রা বিরতি দেয় বিষয়টি আপনি যখন ট্রেনে ভ্রমণ করবেন আপনার যদি জানা থাকে এই ট্রেনটি কোন কোন স্টেশনে দাঁড়াবে এবং কতটুকু সময় বিরতি দিবে বলা যায় যে সকল স্টেশনে ট্রেনটি যাত্রা বিরতি ঐ সকল স্টেশনে যাত্রীরা উঠানামা করতে পারে।
আরও পড়ুন ঃ রাজশাহী টু পঞ্চগড় বাসের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা।
- চুয়াডাঙ্গা স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু,
- আলমডাঙ্গা,
- পোড়াদহ জংশন,
- মিরপুর,
- কুষ্টিয়া,
- ভেড়ামারা,
- পাকশী,
- ঈশ্বরদী জংশন,
- আজিমনগর,
- রাজশাহীতে যাত্রা শেষ।
উপসংহার
আশা করি, আজকের আর্টিকেলটি পড়ে চুয়াডাঙ্গা টু রাজশাহী ট্রেন জার্নি সম্পর্কে তথ্যগুলো অর্থাৎ এই রুটে ট্রেনের নাম, ট্রেনের সময়সূচী, ট্রেনের টিকেট কিভাবে কাটতে হয়, ট্রেনের প্রতি সিটের ভাড়া কত ইত্যাদি বিষয়গুলো বিস্তারিতভাবে জানতে পেরেছেন ও উপকৃত হয়েছেন। এরকম আরও আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন।
প্রিয় পাঠক বৃন্দ, ট্রেন জার্নি অত্যন্ত আনন্দদায়ক, অত্যন্ত মজার! ট্রেন জার্নিতে মন প্রফুল্ল থাকে, ট্রায়াডনেস কম লাগে। উপরের তথ্যগুলো বিস্তারিতভাবে জেনে টিকেট সংগ্রহ করে ট্রেনে ভ্রমন করুন। বিনা টিকেটে ট্রেনে উঠলে আক্কেল ছিলাম দিতে হতে পারে। ট্রেন জার্নিতে অন্যের দেওয়া কোন কিছু খাবেন না। নিজের প্রতি খেয়াল রাখবেন, সুস্থ থাকবেন। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url