জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা জেনে নিন
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা জানার জন্য আপনি কি গুগলে সার্চ করছেন? আপনাকে সঠিক তথ্যটি জানানোর জন্যই আজকের আর্টিকেলটি লেখা। জেলা শহর জয়পুরহাটের সাথে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার যোগাযোগকে সহজতর করেছে এই জয়পুরহাট টু ঢাকা রেল লাইনটি।
আরামদায়কভাবে ও স্বাচ্ছন্দে জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যেতে ট্রেন ভ্রমণ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন জয়পুরহাট টু ঢাকা রেললাইনে যে ট্রেন চলাচল তার নাম, ট্রেনের সময়সূচী, ট্রেনের ভাড়া ও ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়মসহ ট্রেন সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য সম্পর্কে।পেজ সুচীপত্র
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের নাম
আপনারা যেন সহজেই জয়পুরহাট টু ঢাকা রুটে চলাচলকারি ট্রেনের নাম জানতে পারেন সে জন্যই এ তথ্যগুলো। জয়পুরহাটের সাথে প্রাচীন শহর ঢাকার মাঝে যে ট্রেনগুলো চলাচল করে সে ট্রেনগুলোর নাম জানা জরুরী। ট্রেনগুলোর নাম জানা থাকলে আপনি সহজে কোন ট্রেনে যাবেন সেই ট্রেনের টিকিট ক্রয় করে যেতে পারবেন। জয়পুরহাট টু ঢাকার মাঝে চলাচলকারি ট্রেনগুলোর নাম হলো -
- একতা এক্সপ্রেস ৭০৬,
- কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস ৭৯৮,
- নীলসাগর এক্সপ্রেস ৭৬৬,
- পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ৭৯৪,
- চিলাহাটি এক্সপ্রেস ৮০৬,
- দ্রুতযান এক্সপ্রেস ৭৬৮।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী
আপনি ট্রেন যোগে যেখানেই যেতে চান না কেন প্রথমেই আপনার দরকার হবে ট্রেনের নাম অর্থাৎ কোন ট্রেনে যাবেন। তার পরেই প্রয়োজন হবে কোন সময় যাবেন অর্থাৎ ট্রেনের সময়সূচী। যেকোনো কাজ সুন্দর ভাবে সম্পন্ন করার জন্য দরকার সময়সূচী। নিম্নে জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী প্রদান করা হলো।
ট্রেনের নাম | হইতে | ছাড়ার সময় | শেষ গন্তব্য | পৌঁছার সময় | ছুটি / বন্ধের দিন দিন |
একতা এক্সপ্রেস ৭০৬ | জয়পুরহাট | ০১ঃ৩১ | ঢাকা | ০৭ঃ৫০ | নাই |
দ্রুতযান এক্সপ্রেস ৭৬৮ | জয়পুরহাট | ১১ঃ৫৭ | ঢাকা | ১১ঃ৫৫ | নাই |
নীলফামারী এক্সপ্রেস ৭৬৬ | জয়পুরহাট | ২২ঃ৪৭ | ঢাকা | ২১ঃ৫৫ | রবিবার |
পঞ্চগড় এক্সপ্রেস ৭৭০ | জয়পুরহাট | ১৬ঃ১৫ | ঢাকা | ২১ঃ৫৫ | বুধবার |
চিলাহাটি এক্সপ্রেস ৭০৬ | জয়পুরহাট | ০৮ঃ৩৫ | ঢাকা | ১৪ঃ৫৫ | শনিবার |
আরও পড়ুন ঃখুলনা টু ঢাকা ট্রেনের সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়ার তালিকা
প্রিয় যাত্রী বৃন্দ আপনারা সকলেই অবগত আছেন যে, ট্রেনের ভাড়া নির্ভর করে রেলপথের দূরত্ব, এসি, নন এসি বা সাধারণ আসন বিন্যাসের উপর। বগির ধরন ও আসন বিন্যাসের উপর ভিত্তি করে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক নির্ধারিত জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের ভাড়ার তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো।
বগির ধরন / আসন বিভাগ | ভাড়া বা টিকিটের মূল্য |
শোভন চেয়ার | ৪৬৫ টাকা |
স্নিগ্ধা | ৭৮৯ টাকা |
স্নিগ্ধা চেয়ার | ৮৯২ টাকা |
এসি সিট | ১০৭০ টাকা |
এসি বার্থ | ১৫৯৬ টাকা |
আরও পড়ুন ঃপঞ্চগড় টু সিলেট বাসের নাম সময়সূচী ও ভারতের তালিকা।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম
টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠা এক ধরনের বোকামি। যেকোনো সময় টিটি এসে আপনাকে চেক করলে বিপদে পড়ে যেতে পারেন। আক্কেল সেলামি দিতে হতে পারে, হয়ে যেতে পারে জেল-জরিমানার মতো সাজা। সেজন্য যে কোন ধরনের সাজার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য টিকিট কেটে ট্রেনে ভ্রমণ করুন।
ট্রেনের টিকিট দুইভাবে সংগ্রহ করা যেতে পারেন। এক স্টেশনে উপস্থিত হয়ে কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে নিতে পারেন অথবা বাংলাদেশ রেলসেবা অ্যাপস ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসে অনলাইনে জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট কেটে নিতে পারেন। অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম সম্পর্কে পড়তে এখানে ক্লিক করুন।
জয়পুরহাট টু ঢাকা রুটে ট্রেনগুলোর বিরতির স্টেশন
জয়পুরহাট টু ঢাকা রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো যে সকল স্টেশনে বিরতি দেয় সেগুলো জানা একজন যাত্রীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এই রুটে চলাচলকারী ট্রেনগুলো যে সকল স্টেশনে বিরতি দেয় তার নাম নিম্নে পর্যায়ক্রমে উল্লেখ করা হলো।- জয়পুরহাট স্টেশন,
- আক্কেলপুর স্টেশন,
- শান্তাহার স্টেশন
- নাটোর স্টেশন,
- চাটমহল স্টেশন,
- টাঙ্গাইল স্টেশন,
- ইব্রাহিমাবাদ স্টেশন,
- বিমানবন্দর স্টেশন,
- কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন ঢাকা, যাত্রা শেষ।
জয়পুরহাট টু ঢাকা রেল পথের দূরত্ব কত
জয়পুরহাট থেকে যারা রেলপথে ট্রেন যোগে ঢাকা যেতে চান তাদের মাথায় একটি প্রশ্ন থেকেই যায়। আর সেটি হলো জয়পুরহাট টু ঢাকা রেলপথে দূরত্ব কত? জয়পুরহাট থেকে ঢাকা রেলওয়ে লাইনটি রাজশাহী ও ঢাকা বিভাগের কয়েকটি জেলাকে সংযুক্ত করে স্থাপন করা হয়েছে। এই সবগুলো জেলাকে সংযুক্ত করে স্থাপন করার কারণে এর দূরত্ব একটু বেশি মনে হতে পারে। যমুনা রেলসেতু হয়ে রেলপথে জয়পুরহাট টু ঢাকার দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার।
আরও পড়ুন ঃ বাংলাদেশে বিভাগ ও জেলা কয়টি জেনে নিন।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে
অনেক যাত্রী আছেন যারা বেশি সময় ধরে জার্নি করাটা পছন্দ করেন না, আবার অনেকে আছেন বেশি সময় ধরে জার্নি করলে বেশি আনন্দ উপভোগ করেন। সেজন্য যাত্রার সময়টা স্ট্যান্ডার্ড মনে হলে সকলের জন্যই ভালো হয়। বেশি সময় ধরে জার্নি করলে ট্রায়াডনেস ও বোরিং লাগে আবার অনেকেরই এমনটি হয় না। বাংলাদেশে রেলওয়ে লাইন, দূরত্ব, বিরতির স্টেশন এবং ট্রেনের গতিবেগ সবকিছু বিবেচনা করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেন যাত্রার সময় নির্ধারণ করেছেন ০৬ ঘন্টা ২৫ মিনিট অর্থাৎ একটি ট্রেন জয়পুরহাট থেকে ছাড়লে ০৬ ঘন্টা ২৫ মিনিট পরে ঢাকা স্টেশনে পৌঁছায়।
শীতকাল সম্পর্কে রচনা বা প্রবন্ধ পড়ার জন্য এখানে ক্লিক করুন।
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেন সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা FAQ
জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেন চলাচল সম্পর্কে অনেকেই অনেক সাধারন প্রশ্ন গুগলে সার্চ করে থাকেন। আপনারা যারা আর্টিকেলটি পুরোপুরি পড়েছেন তারা এরকম অনেক প্রশ্ন-উত্তর পেয়ে গেছেন। আরও কিছু প্রশ্ন-উত্তর যেন আপনারা সহজেই পেয়ে যান সেজন্যই এপর্বটি লেখা। জয়পুরহাট টু ঢাকা রুটে ট্রেন চলাচল সম্পর্কে আরও কিছু সাধারন প্রশ্ন-উত্তর নিম্নে প্রদান করা হলো।
প্রশ্ন ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট কিভাবে কাটতে হয়?
উত্তর ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের টিকেট স্টেশনে উপস্থিত হয়ে কাউন্টার থেকে কাটতে পারবেন অথবা অনলাইনের মাধ্যমেও কাটতে পারবেন।
প্রশ্ন ঃ ট্রেনে জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যেতে কত সময় লাগে?
উত্তর ঃ ট্রেনে জয়পুরহাট থেকে ঢাকা যেতে ০৬ ঘন্টা ২৫ মিনিট সময় লাগে।
প্রশ্ন ঃ রেলপথে জয়পুরহাট টু ঢাকার দূরত্ব কত?
উত্তর ঃ রেলপথে জয়পুরহাট টু ঢাকার দূরত্ব ২৫০ কিলোমিটার।
প্রশ্ন ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে কাটা যায়?
উত্তর ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা যাওয়ার জন্য ট্রেনের টিকিট অনলাইনে ৬-৭ দিন আগে কাটা যায়।
প্রশ্ন ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের নরমাল টিকিটের ভাড়া কত?
উত্তর ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা ট্রেনের নরমাল টিকিটের ভাড়া ৪৬৫ টাকা।
প্রশ্ন ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা কয়টি ট্রেন চলাচল করে?
উত্তর ঃ জয়পুরহাট টু ঢাকা ৪-৫ টি টেন চলাচল করে, রংপুর এক্সপ্রেস, কুড়িগ্রাম এক্সপ্রেস।
উপসংহার
আশা করি, জয়পুরহাট টু ঢাকা রুটের ট্রেন সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যগুলো বিস্তারিতভাবে আজকের আর্টিকেলে উপস্থাপন করার চেষ্টা করেছি, যেগুলো পড়ে আপনারা উপকৃত হয়েছেন। এরকম আরও আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন আর আর্টিকেলটি শেয়ার করে দিন যেন অন্যেরাও এতথ্যগুলো জানতে পারেন।
প্রিয় পাঠক বৃন্দ, আপনারা অবগত আছেন যে সকল জার্নিই আরামদায়ক হয় না। তবে আনন্দময় ও মনোমুগ্ধকর জার্নি হলো ট্রেন জার্নি। এই জার্নিতে সবসময় সচেতন ও সতর্ক থাকবেন। অন্যের দেওয়া কিছু খাবেন না। নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখবেন। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।
comment url