ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা জানার জন্য আপনি গুগলে সার্চ করছেন! আপনাকে সঠিক তথ্যটি জানানোর জন্যই আজকের আর্টিকেলটি লেখা। বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার সাথে যমুনা নদীর পশ্চিম কোল ঘেঁষে গড়ে উঠা জেলা শহর সিরাজগঞ্জের সাথে যোগাযোগের অন্যতম মাধ্যম এই ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ (কড্ডা) রেল লাইনটি।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা

যানজটের কবলে পড়লে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যেতে অনেক সময় লাগে ও বোরিং ফিল হয়। সেজন্য আরামদায়কভাবে ও স্বাচ্ছন্দে সিরাজগঞ্জ যেতে ট্রেন ভ্রমণ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। আজকের আর্টিকেলটি পড়লে আপনারা জানতে পারবেন ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রেল লাইনে যে ট্রেন চলাচল তার নাম, ট্রেনের সময়সূচী, ট্রেনের ভাড়া ও টিকিট কাটার নিয়মসহ ট্রেন সম্পর্কিত অন্যান্য তথ্য সম্পর্কে।

পেজ সুচিপত্র

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নাম

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নাম জানার জন্য আপনারা এতক্ষণে গুগলে সার্চ করা শুরু করেছেন। আপনারা যেন সহজেই ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রুটে চলাচলকারি ট্রেনের নাম জানতে পারেন সে জন্যই আজকের এ তথ্যগুলো। প্রাচীন শহর ঢাকার সাথে সিরাজগঞ্জের কড্ডা এম মনসুর আলী স্টেশনের মাঝে যে ট্রেনগুলো চলাচল করে সে ট্রেনগুলোর নাম হলো -

  • পদ্মা এক্সপ্রেস ৭৫৯,
  • সিল্কসিটি এক্সপ্রেস ৭৫৩,
  • বনলতা এক্সপ্রেস ৭৯১,
  • ধুমকেতু এক্সপ্রেস ৭৬৯,
  • মধুমতি এক্সপ্রেস ৭৫৫।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয়। আপনি ট্রেন যোগে যেখানেই যেতে চান না কেন প্রথমে আপনার প্রয়োজন হবে কোন সময় যাবেন অর্থাৎ ট্রেনের সময়সূচি। একটা ট্রেন ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার জন্য যে সময়সূচি মেনটেন করে চলে সেটা জেনেই তার টিকিট বুকিং করতে হবে। কোন সময় গেলে আপনি জার্নিতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করবেন এবং ট্রেনটি সিরাজগঞ্জে কখন পৌঁছাবে ইত্যাদি বিষয়গুলো। নিম্নে ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের সময়সূচী প্রদান করা হলো।

ট্রেনের নাম

হইতে

ছাড়ার সময়

শেষ গন্তব্য

পৌঁছার সময়

 ছুটির দিন

ধুমকেতু এক্সপ্রেস

 ঢাকা

সকাল ৬ টা

শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, সিরাজগঞ্জ 

সকাল ৩ টা ৪০ মিনিট

 শনিবার

বনলতা এক্সপ্রেস

 ঢাকা

দুপুর ১ টা ৩০ মিনিট

শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, সিরাজগঞ্জ

সন্ধ্যা ৪ টা ০৫ মিনিট

 শুক্রবার

সিটসিটি এক্সপ্রেস

 ঢাকা

দুপুর ২ টা ৪০ মিনিট

শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, সিরাজগঞ্জ

রাত ৬ টা ৩০ মিনিট

 রবিবার

পদ্মা এক্সপ্রেস

 ঢাকা

রাত ১১ টা ১০ মিনিট

শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, সিরাজগঞ্জ

রাত ২ টা ২০ মিনিট

 মঙ্গলবার

মধুমতি এক্সপ্রেস

 ঢাকা

 বিকাল ৩ টা

শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, সিরাজগঞ্জ

রাত ৭ টা ৪০ মিনিট

 বৃহস্পতিবার

বি ঃ দ্র ঃ ট্রেনের সময়সূচী যেকোনো সময় পরিবর্তন হতে পারে।

আরও পড়ুন ঃ রাজশাহী টু ঢাকা ট্রেনের নাম সময়সূচী ভাড়া ও টিকিট কাটার নিয়ম জেনে নিন।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের ভাড়া

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের ভাড়া জানার জন্য আপনারা গুগলে সার্চ করে থাকেন। ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ কোন ট্রেনের ভাড়া কত এতথ্যগুলো খুব সহজে যেন পেয়ে জান সেজন্য খুব সুন্দর ভাবে ট্রেনের নাম ও ভাড়ার পরিমান উল্লেখ করা হলো। প্রিয় যাত্রীগণ আপনারা আগে থেকেই জানেন ট্রেনের ভাড়া নির্ভর করে রেল পথের দূরত্ব, এসি, নন এসি বা সাধারণ আসন বিন্যাসের উপর। বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃক নির্ধারিত ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ (কড্ডা এম মনসুর আলী স্টেশন) ট্রেনের ভাড়ার তালিকা নিম্নে প্রদান করা হলো।

বগির ধরন / আসন বিভাগ

ভাড়া বা টিকিটের মূল্য প্রতি সিটের জন্য

শোভন

২৩০/- ও ২৭৫/-টাকা

শোভন চেয়ার ও প্রথম চেয়ার

২৭৫/- টাকা ও ৫১৯/- টাকা

প্রথম সিট

৪২০/-  টাকা

স্নিগ্ধা এবং স্নিগ্ধা চেয়ার

৪৫৬/- ও ৫২৫/- এবং ৭০৩/- টাকা 

এসি সিট ও এসি বার্থ

৫৮২/- টাকা ও ৯৭৩/- টাকা

উল্লেখ্য যে ট্রেনের এই ভাড়া পরিবর্তনশীল।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম সম্পর্কে এখানে পড়ে বিস্তারিতভাবে জেনে নিন। টিকিট ছাড়া ট্রেনে উঠা এক ধরনের বোকামি। যেকোনো সময় টিটি এসে আপনাকে চেক করলে বিপদে পড়ে যেতে পারেন। আক্কেল সেলামি দিতে হতে পারে, হয়ে যেতে পারে জেল-জরিমানার মতো সাজা। সেজন্য যে কোন ধরনের সাজার হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য টিকিট কেটে ট্রেনে ভ্রমণ করুন।

ট্রেনের টিকিট দুইভাবে সংগ্রহ করা যেতে পারে। এক স্টেশনে উপস্থিত হয়ে কাউন্টার থেকে টিকিট কেটে নিতে পারেন অথবা বাংলাদেশ রেলসেবা অ্যাপস ব্যবহার করে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ঘরে বসে অনলাইনে নিরাপদে ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের টিকিট কেটে নিতে পারেন। এজন্য আমাদের অন্য একটি আর্টিকেল "অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম সম্পর্কে" পড়ে নেন।

আরও পড়ুন ঃ অনলাইনে ট্রেনের টিকিট কাটার নিয়ম।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রুটের পদ্মা এক্সপ্রেস সম্পর্কে কিছু কথা

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রুটে পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনে জার্নি করলে  আপনার ভালো লাগবে। যে ট্রেনে আপনি জার্নি করবেন সে ট্রেন সম্পর্কে আপনার কিছু তথ্য জানা থাকা দরকার। এই তথ্যগুলো জানানোর জন্যই এপর্বটি লেখা। ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রুটের পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনটি রাজধানী শহর ঢাকা ও আমের নগরী রাজশাহীর মাঝে চলাচল করে। পদ্মা এক্সপ্রেস ছাড়াও এরুটে

  • সিল্কসিটি এক্সপ্রেস,
  • বনলতা এক্সপ্রেস,
  • ধুমকেতু এক্সপ্রেস নামে

আরও ৩ টি ট্রেন চলাচল করে এবং এই ট্রেনগুলো অদ্যাবধি যাত্রী সেবায় নিয়োজিত আছে। ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রুটের এই ট্রেনগুলো চলার পথে ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের

  • ঢাকা,
  • গাজীপুর,
  • টাঙ্গাইল,
  • সিরাজগঞ্জ,‌

এই ৪ টি জেলাকে সংযুক্ত করেছে। এই ট্রেনগুলোতে এসি স্লিপার কোচ ২টি, এসি চেয়ার কোচ ৪টি, নন এসি চেয়ার কোচ ৫ টি, পাওয়ার কার ১টি, সব মিলিয়ে মোট ১৪টি কোচ বা বগি রয়েছে।

আরও পড়ুন ঃ খুলনা টু রাজশাহী ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়া জেনে নিন।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রুটে ট্রেনগুলোর বিরতির স্টেশন 

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রুটে চলাচলকারি ট্রেনগুলো যে সকল স্টেশনে বিরতি দেয় সেগুলো জানা একজন যাত্রীর জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা আপনি কোন স্টেশনে নামবেন বা কোন স্টেশনে উঠবেন এগুলো আগে থেকেই নির্ধারণ করে রাখতে হয়, যদিও প্রতিটি কামরাতেই এ্যনানাউন্স করে বলে দেওয়া হয় ট্রেনটি এখন কোন স্টেশনে থামবে। সেজন্য ট্রেন ভ্রমণের সময় সজাগ দৃষ্টি না রাখলে আপনার কাঙ্খিত স্টেশনটি ওভারটেক করে যেতে পারেন। যার কারণে ট্রেনের জার্নিতে আনন্দের পরিবর্তে দুর্ভোগ পহাতে হতে পারে। এই রুটে চলাচলকারি ট্রেনগুলো যে সকল স্টেশনে বিরতি দেয় তার নাম নিম্নে পর্যায়ক্রমে উল্লেখ করা হলো।

  1. ঢাকা কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন থেকে যাত্রা শুরু,
  2. বিমানবন্দর স্টেশন,
  3. জয়দেবপুর স্টেশন,
  4. টাঙ্গাইল স্টেশন,
  5. যমুনা সেতু পূর্ব স্টেশন,
  6. যমুনা সেতু পশ্চিম স্টেশন,
  7. শহীদ এম মনসুর আলী স্টেশন, কডডা, সিরাজগঞ্জ,
  8. উল্পাপাড়া স্টেশন।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ রেল পথের দূরত্ব কত

ঢাকা থেকে যারা ট্রেন যোগে সিরাজগঞ্জে যেতে চান তাদের মাথায় একটি প্রশ্ন থেকে যায়। আর সেটি হলো ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ রেলপথের দূরত্ব কত? কেননা অনেকেই মনে করেন স্বাচ্ছন্দ্যে, নিরাপদে ও অল্প সময়ে গন্তব্যে পৌঁছানোর জন্য দূরত্ব একটি ফ্যাক্টর। ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ রেলওয়ে লাইনটি ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগের ৪টি জেলাকে সংযুক্ত করে স্থাপন করা হয়েছে। এই সবগুলো জেলাকে সংযুক্ত করে স্থাপন করার কারণে এর দূরত্ব একটু বেশি মনে হতে পারে। এই দূরত্ব একটু বেশি মনে হলেও এই সকল জেলার লোকজন রেলসেবার সুবিধা ভোগ করে থাকেন। যমুনা রেলসেতু দিয়ে রেলপথে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের দূরত্ব ১৫০ কিলোমিটার।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনে যেতে কত সময় লাগে

অনেক যাত্রী আছেন যারা বেশি সময় ধরে জার্নি করাটা পছন্দ করেন না, আবার অনেকে আছেন বেশি সময় ধরে জার্নি করলে বেশি আনন্দ উপভোগ করেন। সেজন্য যাত্রার সময়টা স্ট্যান্ডার্ড মানের হলে সকলের জন্যই ভালো হয়। বেশি সময় ধরে জার্নি করলে ট্রায়াডনেস ও বোরিং লাগে আবার অনেকেরই এমনটি হয় না। বাংলাদেশের রেলওয়ে লাইন, দূরত্ব, বিরতির স্টেশন এবং ট্রেনের গতিবেগ সবকিছু বিবেচনা করে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ট্রেন যাত্রার সময় নির্ধারণ করেছেন ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট অর্থাৎ একটি ট্রেন ঢাকা থেকে ছাড়লে ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট পরে সিরাজগঞ্জ কডডা স্টেশনে পৌঁছাবে।

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেন সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা

ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেন চলাচল সম্পর্কে অনেকেই অনেক সাধারন প্রশ্ন গুগলে সার্চ করে থাকেন। আপনারা যারা আর্টিকেলটি পুরোপুরি পড়েছেন তারা এরকম অনেক প্রশ্ন-উত্তর পেয়ে গেছেন। আরও কিছু প্রশ্ন-উত্তর যেন আপনারা সহজেই পেয়ে যান সেজন্যই এপর্বটি লেখা। ঢাকা-সিরাজগঞ্জ রুটে ট্রেন চলাচল সম্পর্কে আরও কিছু সাধারন প্রশ্ন-উত্তর নিম্নে প্রদান করা হলো।

প্রশ্ন ঃ ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের টিকিট কিভাবে কাটতে হয়?

উত্তর ঃ ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের টিকেট স্টেশনে উপস্থিত হয়ে কাউন্টার থেকে কাটতে পারবেন অথবা অনলাইনের মাধ্যমেও কাটতে পারবেন।

প্রশ্ন ঃ ট্রেনে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যেতে কত সময় লাগে?

উত্তর ঃ ট্রেনে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যেতে ৩ ঘন্টা ৩০ মিনিট সময় লাগে।

প্রশ্ন ঃ রেলপথে ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জের দূরত্ব কত?

উত্তর ঃ রেলপথে ঢাকা থেকে রাজশাহীর দূরত্ব ১৫০ কিলোমিটার।

প্রশ্ন ঃ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ট্রেনের টিকিট কতদিন আগে কাটা যায়?

উত্তর ঃ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ যাওয়ার জন্য ট্রেনের টিকিট অনলাইনে ৫-৬ দিন আগে কাটা যায়।

প্রশ্ন ঃ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নরমাল টিকিটের ভাড়া কত?

উত্তর ঃ ঢাকা থেকে সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নরমাল টিকিটের ভাড়া ২৩০ টাকা থেকে ২৭৫ টাকা।

উপসংহার

আশা করি, ঢাকা টু সিরাজগঞ্জ ট্রেনের নাম সময়সূচী ও ভাড়ার তালিকা সম্পর্কে যাবতীয় তথ্যগুলো বিস্তারিতভাবে আজকের আর্টিকেলে জানতে পেরেছেন ও উপকৃত হয়েছেন। এরকম আরও আপডেট তথ্য পাওয়ার জন্য চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে আমাদের সাথেই থাকুন আর আর্টিকেলটি শেয়ার করে দিন যেন অন্যেরাও এতথ্যগুলো জানতে পারেন।

প্রিয় পাঠক বৃন্দ, আপনারা অবগত আছেন যে, সকল জার্নিই আরামদায়ক হয় না। তবে আনন্দময় ও মনোমুগ্ধকর জার্নি হলো ট্রেন জার্নি। এই জার্নিতে সবসময় সচেতন ও সতর্ক থাকবেন। অন্যের দেওয়া কিছু খাবেন না। নিজের স্বাস্থ্যের প্রতি খেয়াল রাখবেন। আর্টিকেলটি পড়ার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ।

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

aksgreenit নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url